Telegram Group Sex Video!
Posts

ছোট বেলায় মায়ের সাথে চটি গল্প 1

Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

আমার ছোটবেলার কিছু অভিজ্ঞতা লিখব এখানে। আজ একটা কাহিনী। এটা ছাপা হলে পরের দিন আরেকটা লিখব। এগুলো সব সত্যি ঘটনা, তাই যা যা ঘটেছিল তাই লিখব। কারো ভালো না লাগলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আগে থেকে। এই ঘটনা বহু বছর আগের। 



তখন আমি ক্লাস ২/৩ তে পড়তাম বোধহয়। একবার পর পর কয়েকদিন খুব বৃষ্টি হচ্ছিল। আমি স্কুল যাইনি। দুপুরে আমি বাবা মা একসঙ্গে খেতে বসেছি। আমার বাবার একটা দোকান ছিল পাড়ায়। আর মা টিউশনি করতেন। বাবা আর মায়ের মধ্যে খুবভালো সম্পর্ক ছিল। 


তারা একসঙ্গে গল্প করত, হাসাহাসি করত, বাবার দোকানের হিসেবে মা সাহায্য করত, বাবা মায়ের ঘরের কাজে সাহায্য করত। আমার মা খুব ঘরোয়া মহিলা ছিল, সাধারণত শাড়ি পড়ত বাড়িতে। রাতে ঘুমানোর সময়ে নাইটি পড়ত শুধু। কখনো ঘুরতে বেড়াতে গেলে চুড়িদার পড়তে দেখেছি কয়েকবার। 


একবার দিঘা গিয়ে বাবা খুব জোর করে বাবার একটা হাফ প্যান্ট পরিয়েছিল,কিন্তু মা প্রচণ্ড লজ্জা পাচ্ছিল হোটেলের বাইরে বেরোতে ওটা পরে। বাবা খুব হাসছিল সেটা দেখে। যাই হোক, আসল গল্পে আসি। সেদিন বৃষ্টির জন্য বাবা তাড়াতাড়ি দোকান বন্ধ করে বাড়ি এসে গেছিল। 


আমরা দুপুরে একসঙ্গে খেতে বসেছিলাম। খিচুড়ি হয়েছিল। খেতে খেতে বাবা মা কে বলল আজ দারুন ওয়েদার, ওকে তাড়াতাড়ি ঘুম পাড়িয়ে দিয়ো। মা বললো অনেক খাটনি গেছে সারা সকাল, ঘুমাতে দেবে চুপচাপ। বাবা বললো এসব দিনে ঘুমাতে নেই, ঠাকুর পাপ দেয়। আমি কিছু বুঝতে পারছিলাম না, 


Nishi rater golpo


আমি জিজ্ঞেস করলাম কি হবে? শুনে মা আমাকে বকা দিলো, বললো বড়দের কথা শুনতে হয় না, চুপচাপ খাও। বলে বাবার দিকে কটমট করে তাকালো। আর বাবা হাসতে লাগলো। আমি কিছুই বুঝতে পারলাম না। খেয়ে উঠে শুতে গেলাম, আমরা একসঙ্গেই ঘুমাতাম। মা আমাকে ঘুম পাড়াচ্ছিল , 


বাইরে বৃষ্টির আওয়াজ, হালকা ঠান্ডা ওয়েদার। মা আমাকে জড়িয়ে শুয়েছিল। আমার ঘুম এসে গেছিল। বাবা বোধহয় বাইরে কিছু একটা কাজ করছিল। একটু পরে বাবা এসে শুলো। তারপর আস্তে আস্তে মা কে বলল ঘুমিয়ে পড়েছে? মা বললো সবে ঘুমালো, 


এক্ষুনি জেগে যাবে কিন্তু, শোও চুপচাপ। আবার একটু পরে মা হালকা গা ঝাঁকিয়ে বলল উফফ হাত সরাও। বলছি না জেগে যাবে, এখন না, পরে, রাতে। ওদের কথা শুনে আমার ঘুম ভেঙে গেছিল, কিন্তু আমি চোখ বুঝে শুয়ে ছিলাম। বাবা আমার গায়ে আলতো করে হাত দিয়ে দেখলো। 


তারপর বলল দিব্যি ঘুমাচ্ছে, কোনো চাপ নেই। মা ফিসফিস করে বলল উফফ তর সয়না তোমার। তারপর বিছানায় একটা নড়াচড়া টের পেলাম। মায়ের হাত, যেটা আমার গায়ে ছিল এতক্ষণ, সেটা উঠে গেলো। আর বাবার গলা শুনলাম এবার একটু আমাকে ঘুম পাড়াও তো। 


আমি অবাক হয়ে ভাবছি মা কি বাবা কেও ঘুম পাড়িয়ে দেয় নাকি? সাহস করে অল্প একটু চোখ খুললাম, দেখলাম মা বাবার দিকে ঘুরে শুয়েছে। বাবা দুই হাত দিয়ে মা কে জড়িয়ে ধরছে। একটা হাত মায়ের ঘাড়ের নিচে দিয়ে, 


Nishi rater golpo


আরেকটা ওপর দিয়ে। মনে হলো মা ঘুরতে চাইছিল না, বাবা ধরে ঘুরিয়ে নিলো নিজের দিকে। ঘুরে যাওয়ার পর ফিসফিস করে মা কি একটা বললো। বাবা বললো আচ্ছা, এবার এসো তো। তারপর একটা চুমু খাওয়ার আওয়াজ পেলাম। পুচ করে চুমু খাওয়ার আওয়াজ। 


মা ফিসফিস করে কিন্তু জোরে বলল আস্তে, এত জোরে আওয়াজ করছ কেন। বাবা কিছু বলল না। আবার চুমু খাওয়ার আওয়াজ, তবে এবার অনেক আস্তে আস্তে। সঙ্গে বাবার একটা হাত মায়ের গলাটা জড়িয়ে ধরে থাকলো, আরেকটা হাত যেটা মায়ের শরীরের ওপর দিয়ে ছিল সেটা দিয়ে মায়ের চুলটা মুঠি করে ধরা। 


আমার খুব অবাক লাগলো। ওরা কি করছে? চুমু খাওয়ায় আওয়াজ মানে তো আদর করছে, আবার চুলের মুঠি কেন ধরে আছে? আর আদর করবে বলে কেন মাকে জোর করছিল বাবা? মা ই বা কেন আদর খেতে চাইছিল না? আর এরকম তো কোনদিন দেখিনি ওরা আদর করছে, 


ওরা তো শুধু আমাকে আদর করে। নিজেদের তো করে না কখনও। আমার খুব অবাক লাগছিল। শুধু এটুকু বুঝতে পারছিলাম এটা এমন কিছু যেটা আমার দেখার কথা না, তাই আমি ঘুমানোর অপেক্ষা করছিল ওরা। আমি চুপ করে শুয়ে দেখতে থাকলাম। 


ওরা অনেকক্ষণ চুমু খাচ্ছিল আর ফিসফিস করে কি কথা বলছিল, কথা গুলো আমি বুঝতে পারছিলাম না। বৃষ্টির আওয়াজে ওদের কথা শোনা যাচ্ছিল না। একবার শুনলাম মা বলল শয়তান একটা। আরেকবার বলল খেয়ে উঠে ব্রাশ করোনা কেন? বাবার কথা গুলো বুঝতে পারছিলাম না, 


Nishi rater golpo


বৃষ্টির খুব আওয়াজ হচ্ছিল বাইরে। বাবা একটু পরে মায়ের চুলের মুঠি ছেড়ে মায়ের পিঠে হাত বোলাতে লাগলো। আদর করে হাত বোলানোর মত পুরো পিঠে হাত বোলাচ্ছিল বাবা। একবার পিঠ থেকে হাত চলে গেলো মায়ের পাছুতে। মা তাড়াতাড়ি বাবার হাত টা ধরে সরিয়ে দিলো। 


বাবা আবার হাত দিলো। মা আবার সরাতে গেলে বাবা মায়ের পাছুতে একটা চড় মারলো। থপ করে আওয়াজ হলো। মা খুব রেগে গিয়ে কি একটা বললো ফিসফিস করে আর আমার দিকে ঘুরে দেখল একবার আমার ঘুম ভেঙে গেছে কিনা। আমি তাড়াতাড়ি চোখ বুঝে নিলাম। 


মা বললো আবার করলে ওদিকে ঘুরে যাবো কিন্তু। বাবা কি বলল বোঝা গেলো না। আবার চুমুর আওয়াজ শুরু হতে বুঝলাম মা ওদিকে ঘুরে গেছে, আমি আবার সাহস করে চোখ খুললাম। দেখলাম এখন বাবার হাত মায়ের পাছুতে। মা হালকা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। 


বাবা টিপে দিল পাছু দুটো একবার করে। মা বাবার হাতটা ধরে সামনের দিকে নিয়ে গেল। একটু পরে বাবা সামনের দিকে কি একটা করতে লাগলো, মা বাধা দিতে লাগলো। মা বলছিল আরে এখন না, রাতে রাতে.খোকা উঠে পড়বে যখন তখন। বাবা তাও থামছিল না, 


বলছিল কিছু হবে না, ওর উঠতে দেরি আছে। মা একবার আমার দিকে ঘুরে দেখল। বাবা বললো এতবার ঘুরে ঘুরে দেখলে এবার সত্যি জেগে যাবে কিন্তু। বলে মাকে ধরে নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিলো বাবা। ঘরে খুব কম আলো ছিল বলে আমি এবার আর চোখ বন্ধ করিনি, 


Nishi rater golpo


ওরা বুঝতে পারেনি। মা যখন আমার দিকে ঘুরেছিল তখন বুঝতে পারলাম বাবা এতক্ষণ সামনে কি করছিল। বাবা মায়ের ব্লাউসের হুক খুলছিল। মায়ের ব্লাউসের হুক প্রায় সব খোলা ছিল । এবার ওদিকে ঘোরার পর বাকি গুলো ও খুলে বাবা মায়ের ব্লাউস টা কাঁধ থেকে নামিয়ে দিলো একটা দিক। 


মা খুব বাধা দিতে চেষ্টা করছিল কিন্তু লাভ হচ্ছিলনা। ব্লাউসের হাতা টা কনুই অবধি নামিয়ে বাবা শক্ত করে ধরে ছিল, ফলে মায়ের হাতটা নিজের পিঠের কাছে আটকে ছিল,ফলে মা আর বাধা দিতে পারছিল না। আর বাবা একটু নিচের দিকে নেমে মায়ের বুকের কাছে মুখ নিয়ে কি করছিল। 


একটু পরে বাবার হাতটা একটু ঢিলে হতে মা হাতটা সামনের দিকে নিয়ে গেল। আমি ভাবলাম মা বাবাকে সরিয়ে দেবে, মা উল্টে বাবার মাথায় হাত বোলাতে লাগলো। এই সময়ে বাবা মা কে ধরে চিত করে দিলো, আমি স্পষ্ট দেখলাম বাবা মায়ের দুধ খাচ্ছে, 


যেমন আমি খেতাম ছোটবেলায়। মা তক্ষুনি এদিকে না, যা করবে ওদিকে ওদিকে বলে বাবাকে আবার ঘুরিয়ে দিলো। ওইটুকু সময়ে একটুখানির জন্য মায়ের দুদুগুলো দেখতে পেলাম। বড় হওয়ার পর কোনোদিন দেখিনি মায়ের দুদু। কি সুন্দর গোল গোল, আর বোঁটার কাছটা কালো মত ছোট্ট আর উঁচু, 


আঙ্গুরের মত। বাবা মায়ের দুদু খেতে খেতে ব্লাউস টা একটা দিক পুরো খুলে নামিয়ে দিলো হাত থেকে। মায়ের পুরো পিঠটা খালি হয়ে গেলো। মা বললো চাদরটা নিয়ে এসো। বাবা বললো উফফ চুপ করো তো তখন থেকে এটা সেটা বলে যাচ্ছ। 


Nishi rater golpo


 আরে, ও জেগে গেলে কি হবে? এত কথা বললে ও জেগেই যাবে, আমি কিন্তু তখন থামবো না বলে রাখলাম। তুমি না কোনো কথা শোনো না, ভালো লাগে না আমার। আবার বাবা দুদু খেতে লাগলো, মা রাগ করলেও বাবার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল, 


চুলে আঙ্গুল দিয়ে আদর করছিল। আর মাঝে মাঝে বলছিল আহ আস্তে, লাগছে তো। বলে বাবার চুলের মুঠি আরো শক্ত করে ধরছিল।বোধহয় বাবা কামড়ে দিচ্ছিল দুদু তে। মা মাঝে মাঝে সসস আহহহ এরকম আওয়াজ করছিল খুব আস্তে। একবার মা মাথাটা একটু নিচু করে বাবার মাথায় একটা চুমু খেলো। 


বাবা দুদু থেকে মুখ তুলে মাকে চুমু খেলো ঠোঁটে। তারপর আবার দুদু খেতে লাগলো। আমি ব্যাপারটা বুঝতে পারছিলাম না। বাবা কেন মায়ের দুদু খাবে? আমি খেতাম তো অনেক আগে। আর মা কেন রেগে গিয়েও বাবাকে আদর করছে? বাবা জোর করে আদর করছে, 


এটাই বা কেমন? আরেকটা জিনিস হচ্ছিল, এসব দেখে আমার নুঙ্কু টা শক্ত হয়ে যাচ্ছিল। খুব শিরশির করছিল নুন্কু তে। ইচ্ছে করছিল হাত দিতে। কিন্তু নড়লে ওরা বুঝে যাবে আমি জেগে আছি। হয়তো বকবে। তাছাড়াও আমার লুকিয়ে দেখতে খুব ভালো লাগছিল। তাই চুপ করে শুয়ে থাকলাম। 


দুদু খেতে খেতে বাবা মায়ের পাছুতে হাত বোলাচ্ছিল, মাঝে মাঝে টিপে দিচ্ছিল পাছু গুলো। মা আর বাধা দিচ্ছিল না। তারপর হাতটা একটু নিচে নিয়ে গিয়ে মায়ের শাড়ি আর সায়া সব সমেত ওপরে এ তুলে মায়ের পায়ে হাত বোলাচ্ছিল। মা নামিয়ে দিচ্ছিল শাড়ি বারবার, 


Nishi rater golpo


বাবা আবার জোর করে তুলে দিচ্ছিল, শাড়ির ভেতর দিয়ে হাত ঢুকিয়ে দিচ্ছিল। ওপরে তুলতে তুলতে প্রায় কোমর অবধি তুলে দিয়েছে শাড়ি আর সায়া। মা সেদিন লাল হলুদ ছাপা ঘরোয়া শাড়ি পরে ছিল। সঙ্গে লাল ব্লাউস, কালো সায়া। শাড়ি সায়া উঠে গিয়ে মায়ের জাঙিয়াটা দেখা যাচ্ছিল। 


    বড় হয়ে জেনেছিলাম ওটাকে প্যান্টি বলে। কালো সায়ার নিচে গোলাপী প্যান্টিটা দেখা যাচ্ছিল। এটা আমি আগে দেখেছি অনেকবার আলমারিতে, আর বারান্দায় মেলা অবস্থায়। হাত দিয়ে ছিলাম একবার। খুব নরম আর পাতলা। পরা অবস্থায় কোনোদিন দেখিনি। আজ প্রথম দেখছি। 


বাবা মায়ের জাঙ্গিয়ার ওপর দিয়ে পাছুতে হাত বোলালো কিছুক্ষণ। তারপর জাঙ্গিয়ার ভেতরে হাত ঢুকিয়ে পাছু গুলো টিপতে লাগলো। মা বাবার হাতটা ধরলো একবার কিন্তু বেশি বাধা দিলো না, খামচে ধরে থাকলো শুধু। বাবা এবার মায়ের একটা পা নিজের ওপরে তুলে নিলো। 


তারপর সামনে হাত নিয়ে গিয়ে জাঙ্গিয়ার ওপর দিয়ে মায়ের হিসু করার জায়গায় হাত দিলো। মা বাধা দিতে গেলো। বাবা মায়ের হাত সরিয়ে দিয়ে আবার হাত দিলো হিসুর জায়গায়। মা বাবার হাতটা ধরে থাকলো, কিন্তু আটকাতে পারলো না। মা বারবার বলতে থাকলো ওখানে এখন না রাতে, 


প্লিজ। বাবা শুনছিল না কিছু। প্রথমে জাঙ্গিয়ার ওপর দিয়ে, তারপর জাঙ্গিয়ার ভেতরে দিয়ে মায়ের ওখানে হাত দিচ্ছিল বাবা। বুঝতে পারছিলাম না মায়ের কি লজ্জা করছে? আমার ওখানে কেউ হাত দিলে আমার লজ্জা করে, অস্বস্তি হয়। পাড়ার একটা কাকু হাত দেয় একা পেলে। 


Nishi rater golpo


আমি পালিয়ে যাই। শুধু মা হাত দিলে লজ্জা করে না, আরাম লাগে। চান করানোর সময়ে মা সাবান লাগিয়ে দেয় আমার ওখানে, খুব আরাম লাগে। শক্ত হয়ে যায়। মা হাসে। বলে ছেলে বড় হয়ে গেছে। একবার চুমু খেয়েছিলো ওখানে মা। কি ভালো লেগেছিল। 


মায়ের নিশ্চই করছে লজ্জা এখন, তাই বাধা দিচ্ছে বাবা কে। কিন্তু বাবা জোর করে হাত দিচ্ছে। বাবা কি এরকম করে মাঝে মাঝেই? মা কি অসহায়, পালাতে পারে না। এসব ভাবছি আবার আমার ইচ্ছে করছে আমিও যদি মায়ের ওখানে হাত দিতে পারতাম বাবার মতো.. 


পিছন থেকে দেখতে পেলাম মায়ের দুটো পায়ের ফাঁকে বাবার হাত জাঙ্গিয়ার ভেতরে চলাচল করছে। মা আহহহ আহহহ করছে খুব আস্তে আস্তে। মায়ের কি ব্যথা লাগছে? তাহলে বাবা জোর করে এরকম করছে কেন ? আমার একটু একটু ভয় করছে আবার অদ্ভুত একটা মজা ও লাগছে দেখতে। 


মনে হচ্ছে আমিও যদি করতে পারতাম এরকম। বাবা মাকে ধরে চিত করে দিলো এবার। মা এদিকে না এদিকে না প্লিজ বলছিল কিন্তু বাবা পাত্তা দিলো না, জোর করে চিত করে দিলো। মা আমার দিকে দেখলো আমি জেগে আছি কিনা, 


আমি চোখ বন্ধ করে ফেললাম। একটু পরে চোখ খুলে দেখলাম বাবা মা কে চিত করে শুইয়ে মায়ের ওখানে হাত দিচ্ছে জাঙ্গিয়ার ভেতর দিয়ে। শাড়ি সায়া এগুলো কোমরের কাছে গুটিয়ে রয়েছে। মায়ের দুদু গুলো খোলা ছিল এতক্ষণ। মা শরীর আঁচল দিয়ে সেগুলো ঢেকে নিলো। 


Nishi rater golpo


বাবা তক্ষুনি আঁচল টা সরিয়ে দিলো। মা আরে. বলল। বাবা মায়ের দুটো হাত মাথার ওপরে চেপে ধরলো নিজের একটা হাত দিয়ে। আরেকটা হাত দিয়ে মায়ের হিসুর জায়গা হাত দিতে দিতে মায়ের দুদু খেতে লাগল।মায়ের হাতের চুড়িগুলোতে আওয়াজ হচ্ছে ঝুন ঝুন করে, 


মা হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করছে, পারছে না। মা কেমন একটা ছটফট করছে। বাবা চেপে ধরে আছে মা কে, আর হিসু করার জায়গায় হাত দিচ্ছে, দুদু খাচ্ছে। মা মাঝে মাঝে সসসসস আহহহহ আস্তে এরকম আওয়াজ করছে, আর মাঝে মাঝে আমার দিকে দেখছে। 


আমি খুব ছোট করে চোখ খুলে আছি, আলো কম তাই বুঝতে পারছে না মা। এরকম কিছুক্ষণ চলার পর বাবা মা কে ছেড়ে উঠে বসলো। বসে মায়ের পায়ের কাছে গিয়ে মায়ের জাঙিয়াটা ধরে টান মেরে খুলে দিলো। স্পষ্ট দেখতে পেলাম মায়ের ওই জায়গাটা। 


মেয়েদের ওটা অন্য রকম হয়, পাশের বাড়ির বোনুর টা দেখেছি আগে। মায়ের ও ওরকম। শুধু ওখানে দেখলাম লোম আছে অল্প। মা কি করছ খুলছো কেন পুরোটা বলে উঠে বসতে যাচ্ছিল, বাবা ধরে শুইয়ে দিয়ে মায়ের দুটো পায়ের মাঝখানে বসলো। তারপর মুখ নিচু করে মায়ের ওখানে মুখ দিয়ে দিলো। 


আমি অবাক। ওখানে কেউ মুখ দেয়! হিসু করার জায়গা তো ওটা। বাবা মায়ের দুটো হাত চেপে ধরে মায়ের ওখানে মুখ দিয়ে কি করতে লাগলো। মা উসস আআআহহ মমম এরকম আওয়াজ করতে লাগলো আর কেঁপে কেঁপে উঠতে লাগলো, ছটফট করতে লাগলো। বাবা মায়ের একটা হাত ছেড়ে দিয়ে মায়ের ওখানে হাত দিয়ে কি করতে লাগলো। 


Nishi rater golpo


মা একটা হাত ফাঁকা হতে সেটা দিয়ে বাবার চুলটা টেনে ধরলো। আমি ভাবলাম বাবার মুখটা সরিয়ে দেবে বলে ধরলো কিন্তু মা বাবার মাথাটা আরো চেপে ধরলো নিজের ওখানে। আর চোখ বন্ধ করে মম আহহহ এরকম করতে লাগলো। নিজেই নিজের ঠোঁট কামড়াচ্ছে মা। 


মুখ দেখে মনে হচ্ছে যেন খুব যন্ত্রণা হচ্ছে মায়ের। বাবা অন্য হাতটা দিয়ে মায়ের একটা দুদু চটকাতে লাগলো জোরে জোরে। মা বাবার হাতের ওপর হাত দিয়ে থাকলো, কিন্তু বাধা দিচ্ছিল না। মায়ের শরীরটা বেঁকে বেঁকে যাচ্ছিল মাঝে মাঝে। হঠাৎ মা খুব জোরে উফফফফফ করে আওয়াজ করে উঠলো আর দেখলাম মায়ের কোমরটা শূন্যে উঠে গেলো। 


এক মুহুর্ত এমন থেকেই মা খুব ভয়ে ভয়ে আমার দিকে দেখলো আর বাবা কে ঠেলে সরিয়ে উঠে বসে বললো ওই ঘরে চলো প্লিজ প্লিজ আমি আওয়াজ করে ফেলবো প্লিজ। বাবা মাকে ছেড়ে উঠে বসলো। মা শাড়ি সামলে খাট থেকে নামতে গেলো। 


বাবা তার আগেই খাট থেকে নেমে মাকে কোলে তুলে নিলো। মা ভয়ে না না করে উঠলো। বাবা কোলে তুলে একবার ঝাঁকালো মায়ের শরীরটা। তাতে মায়ের শাড়ি জামা যেটুকু সামলেছিল সব সরে গিয়ে আবার পুরো ল্যাংটো হয়ে গেলো মা। শাড়ি শায়া পেটের কাছে জড়ো হয়ে গেলো, 


বুকের আঁচল ব্লাউস খুলে ঝুলছে। সব দেখা যাচ্ছে মায়ের। বাবা মাকে কোলে তুলে নিয়ে পাশের ঘরে চলে গেলো। আমি ভাবলাম যা আর দেখতে পাব না। পাশের ঘরের দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ পেয়ে আমি সাহস করে উঠে বসলাম। উঁকি মেরে দেখে এলাম দরজা বন্ধ। 


Nishi rater golpo


দরজায় কান লাগিয়ে শুনলাম বাবা বলছে অনেক্ষন না না শুনেছি, এবার কে বাঁচাবে? আমি ভাবলাম বাবা কি মাকে মারবে নাকি? ভয় করলো। আবার একটু পরেই মায়ের খিলখিল হাসির আওয়াজ পেলাম না না ওখানে না প্লিজ সুড়সুড়ি লাগে প্লিজ। বাবা বললো আমার জিনিস আমি যেভাবে ইচ্ছে খাবো। 


বুঝতে পারলাম না কি হচ্ছে। বাবা যে মাকে ওই ঘরে জোর করো পুরো ল্যাংটো করে দেবে এটুকু বুঝতে পারছিলাম। তারপর? সব জায়গায় হাত দেবে? মুখ দেবে? আমার কি মাকে বাঁচানো উচিত ছিল? একটু পরে মায়ের আওয়াজ পেলাম আহ আহ আহ। 


মায়ের কি লাগছে? বাবা কি মাকে কষ্ট দিচ্ছে? আমার খুব দেখতে ইচ্ছে করছিল। আমি ঘরে চলে এলাম। এসে দেখলাম বিছানায় মায়ের জাঙিয়াটা পরে আছে। হাতে করে তুললাম। দেখলাম হিসুর জায়গাটায় ভিজে। গন্ধ শুঁকলাম। কি রকম একটা অন্য রকম গন্ধ। হিসুর গন্ধ নয়, 


অন্য। খুব ইচ্ছে করলো জিভ দিতে। বাবা তো মায়ের ওখানে মুখ দিচ্ছিল। আমিও জিভ ঠেকালাম জাঙ্গিয়ার ওখানে। নোনতা স্বাদ। চটচটে। খুব ভালো লাগলো। আমার নুনকুটা খুব শক্ত হয়ে গেছে। খুব চটকাতে ইচ্ছে করছিল নিজের নুনকুটা। আমি মায়ের জাঙিয়াটা নিয়ে নুনকুতে লাগিয়ে ঘষতে লাগলাম, 


হিসু জায়গাটা, মানে যেখানটা ভিজে ছিল সেই জায়গাটা নুংকু তে ঘষতে লাগলাম। কি আরাম. আহহ. কিছুক্ষণ করার পর হঠাৎ সারা শরীরে যেন কারেন্ট লাগলো একবার। কয়েক সেকেন্ডের জন্য পুরো পৃথিবী থেমে গেলো যেন। তারপর দেখলাম আমার নুনকু থেকে সাদা সাদা কি বেরোলো। 


Nishi rater golpo


মায়ের জাঙ্গিয়াতেই মুছে নিলাম সেটা। খুব ক্লান্ত লাগতে লাগলো হঠাৎ। শুয়ে শুয়ে জাঙিয়াটা দেখছিলাম। হঠাৎ পাশের ঘরের দরজা খোলার আওয়াজ পেলাম। তারপর বাথরুমের দরজার আওয়াজ পেলাম। আমি তাড়াতাড়ি জাঙিয়াটা রেখে ঘুমের ভান করে শুয়ে পড়লাম। বাবা একবার ঘরে এসে দেখলো আমাকে, 


তারপর মা কে বলল ঘুমাচ্ছে। মা বললো ভাগ্যিস উঠে পড়েনি। বাবা চলে গেলো আবার। মা বললো দাও জামাগুলো মায়ের গলা শুনে বোঝা যাচ্ছিল বাথরুমের ভেতর থেকে কথা বলছে। বাবা বললো আগে একবার দরজাটা খোলো পুরোটা ইয়ার্কি মেরো না, 


দাও সব তাড়াতাড়ি, ঠান্ডা লাগছে। উহু, আগে দেখব সব ভালো করে এতক্ষনেও সখ মেটেনি? কোনোদিন মিটবে না, দেখাও এবার তাড়াতাড়ি, নইলে বাইরে এসে নিয়ে যাও সব একবার বাথরুমের দরজা খোলার আওয়াজ পেলাম। মা বলল নাও, শান্তি? ওই, আরেকবার এসো না, 


ছেলের তো উঠতে দেরি আছে -এক চড় মারবো। এক সপ্তাহ আর নাম নেবে না বাবা হাসলো। আবার বাথরুমের দরজা বন্ধ হলো। আবার মায়ের গলা পেলাম প্যান্টিটা দাওনি? এইগুলোই তো পেলাম, দাঁড়াও দেখছি। কোথায় ফেলেছো দেখ পাচ্ছি না, 


এগুলো পরেই এসো এখন, পরে খুঁজব। একটু পর বাবা মা দুজনেই ঘরে এলো। বাবা বিছানায় মায়ের জাঙিয়াটা দেখে বলল এইতো প্যান্টি এখানে ছেড়েছো, বেকার ওঘরে খুঁজছিলাম। মা বললো আমি ছেড়েছি শয়তান? তারপর ওটা হাতে নিয়ে দেখে বলল বাবা, কত ভিজে গেছে বাবা বললো তাহলে? 


Nishi rater golpo


শুধু শুধু নাটক করছিলে কেন? আরে তুমি বোঝনা, ভয় করে। দুপুরে ও বেশি ঘুমোয় না। রাতে কিছু বারণ করি কখনও? বেশ, দেখব আজ রাতে তাহলে বললাম না এক সপ্তাহ আর চাইবে না এরকম ওয়েদার থাকলে কোনো বারণই শুনবো না ডারলিং আমি শুনে বুঝলাম রাতেও আমি ঘুমিয়ে পড়লে ওরা এরকম করে। 


এটাও বুঝলাম মা আমার কারণে বারণ করছিল, নাহলে মায়েরও ভালো লাগে এরকম করতে। এটা একটা কিছু গোপন খেলা যেটা ওরা খেলে। আজ রাতে জেগে থাকবো ঠিক করে নিলাম। দেখব আবার। ইস বাবার কি মজা, যখন ইচ্ছে মাকে ল্যাংটো করতে পারে। আমিও যদি পারতাম। 


মা আলমারি থেকে একটা জাঙ্গিয়া বের করলো। বাবা বলল দাও আমি পরিয়ে দি বলে জাঙিয়াটা মায়ের থেকে নিলো। মা শাড়ি উঁচু করে তুলে দাঁড়ালো। বাবা মাটিতে বসে জাঙিয়াটা ধরলো, মা বাচ্চা মেয়ের মত একটা একটা করে পা ঢুকিয়ে দিলো। বাবা জাঙিয়াটা ওপরে তুলল, 


মা শাড়িটা অনেকটা উঁচু করলো, বাবা হঠাৎ মায়ের হিসু করার ওখানে পুচ করে একটা চুমু খেয়ে নিলো। মা শাড়ি দিয়ে বাবাকে ঢেকে দিল আর দুজনে খুব হাসতে থাকলো। জাঙ্গিয়া পড়ানো হলে মা আগের জাঙিয়াটা ঘরের কোণে ফেলতে যাচ্ছিল, 


বাবা বলল ওটা আমাকে দাও, বালিশের নিচে নিয়ে শোবো, আর বিকেলে পকেটে করে নিয়ে যাবো দোকানে, কেউ না থাকলে গন্ধ শুকবো। মা বললো পাগল একটা বাবা বললো তোমার জন্য তারপর দুজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জড়িয়ে ধরে অনেকক্ষণ চুমু খেলো ঠোঁটে। বাবা i love you বললো। 


Nishi rater golpo


মাও বলল i love you। আবার চুমু খেলো দুজনে। তারপর মা হাত জোড় করে বলল এবার ঘুমাতে দিন প্রভু, একটু পরেই ছেলে উঠে পড়বে। বাবা হেসে উঠলো। বলল হ্যাঁ, আবার রাতে জাগতে হবে তো, ঘুমিয়ে নাও। মা একটা ঘুষি মারলো বাবার পিঠে। 


তারপর ওরা শুয়ে পড়ল। বাবা সত্যি সত্যি জাঙিয়াটা বালিশের নীচে নিয়ে শুলো। মা আমাকে জড়িয়ে শুলো। আমি ঘুমের ভান করে মায়ের দুদুর মাঝখানে মুখ গুঁজে দিলাম। তিন জনেই ঘুমিয়ে পড়লাম তারপর।

Post a Comment

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.